আপনি কিভাবে জুমে একাউন্ট খুলবেন এবং এটিতে ক্লাস বা যেকোন মির্টিংএ আপনি কিভাবে জয়েন করবেন। একাউন্ট খোলা থেকে লাইভ ক্লাস করা পর্যন্ত এ টু জেড বিস্তারিত খুটিনাটি এই ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে। একজন শিক্ষক জুমে কিভাবে ক্লাস নিবেন এবং একজন শিক্ষার্থী কিভাবে জুমে ক্লাস করবেন সবই এখানে ধারাবাহিক ভাবে দেখানো হয়েছে। পুরো ভিডিওটি না টেনে ধৈর্য্য ধরে দেখুন আশাকরি আপনি সহজে কাজগুলো বুজতে পারবেন।
Date
পৃষ্ঠাসমূহ
শিরোনাম
Tuesday, October 6, 2020
Sunday, October 4, 2020
Friday, September 25, 2020
Friday, September 4, 2020
৯ লক্ষ সদস্য ছাড়ালো নারী উদ্যোক্তা ভিত্তিক জনপ্রিয় ই-কমার্স গ্রুপ ‘উই’
দেশীয় পন্য ও নারীদের নিয়ে কাজ করে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘ওমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম-উই’ ফেইসবুক গ্রুপের ৯ লক্ষ সদস্য পূর্ণ হয়েছে। খুব শিঘ্রই মিলিয়নারে পৌঁছাবে উই। দেশীয় পন্য উৎপাদনে নতুন উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা পাওয়ার মতোই এমন একটি প্লাটর্ফম যেখানে রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষাধীক নারী উদ্যোক্তা। দেশীয় পন্য উৎপাদন করে যারা স্বপ্ন দেখে উদ্যোক্তা হওয়ার। উই এর কর্ণধার রাজিব আহমেদ ও নাসিমা আক্তার নিশা। যারা প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন সকলকে। তারা মনে করেন উই তে দেশীয় পন্য নিয়ে প্রতিদিন যে পরিমান মানুষের সফলতার গল্প দেখছি মনে হচ্ছে একদিন দেশিয় পন্যে বাজার ছয়লাপ হয়ে যাবে।
সত্বাধীকারীঃ অসাধারণ
Wednesday, August 12, 2020
বর্ষার মৌসুমে গুড়গা বিলের লাল মসজিদ কেন্দ্রকরে নৌভ্রমণে দর্শনার্থীদের ভিড়
বর্ষার মৌসুমে গ্রামীন পরিবেশে প্রকৃতি তার মায়াবী সবুজ রুপ মেলে ধরে। বছরের এ সময়টাতেই অথৈজলে দেখা মেলে বাংলাদেশর জাতীয় ফুল শাপলার। বর্ষার মৌসুমে কচুয়া ও চান্দিনা উপজেলার গুড়গা বিলের লাল মসজিদ বা লাল ঘর কেন্দ্রকরে নৌভ্রমণে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে চোঁখে পড়ার মতো। তাদের উদ্দেশ্য নৌকাভ্রমণ, গন্তব্য লাল টিনের তৈরী ঘড় অর্থাৎ সুরোজ গেইট সংলগ্ন। আগত দর্শনার্থীদের সময়টা কাটে শাপলা তোলা, শাপলার ভর্তা, নুডলস, ও বিরিয়ানি খাওয়া এবং গান গাওয়া, ছবিতোলাসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে। লাল মসজিদ নামে পরিচিত এই ঘরটি মুলত চান্দিনা উপজেলার ১০নং গল্লাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল করিম। তৎকালিন সময়ে গুড়গা বিলের মাঝখানে কৃষকদের বিশ্রামের জন্য পাশাপাশি নামায আদায়ের জন্য তিনি ঘরটি লাল টিন এর আদলে তৈরী করেন। বর্তমানে ঘরটির ভিতরে নামায পড়া কিংবা বিশ্রাম নেওয়ার মতো পরিবেশ নেই বললেও চলে। আশে পাশে কোন দোকানপাট না থাকায় দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এই ঘরটিতে ভ্রাম্যমান দোকান হিসেবে ব্যবহার করছেন গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামের মোঃ মেহেদি হাসান। তার ভাষ্যমতে যেহেতু বর্ষার সময় চলছে, তার মধ্যে ঈদের ছুটি। সবমিলে এখানে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার এর মতো দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। স্থানীয়রা মনে করেন এই ঘরকে কেন্দ্র করে এখানে যেহেতু বর্ষার মৌসুমসহ অন্যান্য সময়ে প্রচুর দর্শনার্থীর আসে, তাই এখানে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটনবান্দব পরিবেশ গড়ে তুললে কচুয়া ও চান্দিনার মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি অনের দূরদূরান্তের মানুষের বিনোদনের যায়গা হয়ে উঠতে পারে এটি।
শরীফুল ইসলাম আরশ
অভয়পাড়া, কচুয়া, চাঁদপুর।
Subscribe to:
Posts (Atom)
